দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে ফিরে এয়ারপোর্টে পা রাখতেই যে দৃশ্যের অবতারণা হয়, তা উপস্থিত সবার মন ছুঁয়ে যায় গভীর আবেগে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যেমন ছিল রাজনৈতিক গুরুত্ব, তেমনি ছিল মানবিকতার এক অনন্য প্রকাশ।
এয়ারপোর্টে দায়িত্বে থাকা নবনিযুক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খানের সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ মুহূর্তেই ভিন্ন মাত্রা পায়। আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে দুজনের আন্তরিক আলিঙ্গন যেন সম্মান, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধের এক নীরব বার্তা ছড়িয়ে দেয়। সেই সংক্ষিপ্ত মুহূর্তে কোনো বক্তব্য নয়, কোনো শব্দ নয়—শুধু চোখে চোখে অনুভূতির ভাষা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে এমন উষ্ণ ও সম্মানজনক অভ্যর্থনা তারেক রহমানের জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি উপস্থিত মানুষদের মাঝেও জাগিয়ে তোলে আশার আলো। অনেকেই বলেন, এই দৃশ্য প্রমাণ করে—রাজনীতি ও প্রশাসনের কঠোর বাস্তবতার মাঝেও মানবিকতা কখনো হারিয়ে যায় না।
এয়ারপোর্ট প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হওয়া সেই আবেগঘন পরিবেশ যেন মনে করিয়ে দেয়, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর সম্মান সময়ের ব্যবধানে ম্লান হয় না। মাশাআল্লাহ—এই মুহূর্তটি রয়ে যাবে প্রত্যাবর্তনের ইতিহাসে এক মানবিক ও অনুপ্রেরণামূলক অধ্যায় হিসেবে।